আব্বাস আরাগচি ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার উদ্দেশ্যে, তাঁর এই সফর চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার করেছে; এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত বিবেচনায় একটি প্রস্তাব দিতে পারে; একই সময়ে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন, যেখানে আরাগচির সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে এই সপ্তাহান্তে তাদের সরাসরি সাক্ষাৎ হবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়; পাকিস্তানি সূত্র জানিয়েছে, ইসলামাবাদে অবস্থানকালে আরাগচির সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠকের কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই, বরং তাঁর সংক্ষিপ্ত সফরের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরানের প্রস্তাব পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনে পৌঁছে দেওয়া; বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল রূপ নিয়েছে, কারণ ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখায় বিশ্ববাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে, ইরানের তেল রপ্তানি কার্যত স্থগিত হয়ে আছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির মূল্য বহু বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী মাত্র পাঁচটি জাহাজ প্রণালীটি অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছে; অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে এবং হিজবুল্লাহ ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির সর্বশেষ মেয়াদ বৃদ্ধিকে অর্থহীন বলে মন্তব্য করেছে; আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আটলান্টিক সামরিক জোটের কিছু মিত্র দেশ—যাদের ইরানবিরোধী অবস্থানে যথেষ্ট সমর্থন ছিল না—তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয় বিবেচনা করছে, এর মধ্যে স্পেনের সদস্যপদ স্থগিত করার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে; এদিকে সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতির আশায় আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে, প্রধান সূচকগুলো রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছালেও তেলের বাজার এখনো অস্থির রয়ে গেছে।
