By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
AlMujaddid 24AlMujaddid 24
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • ধর্ম
    • সারাদেশ
    • ঈমান
    • ইবাদাত
    • আকীদা
    • আখিরাত
    • ইতিহাস
    • ফিকহ
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • শিক্ষা
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • আন্তর্জাতিক
Search
Health
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • ধর্ম
    • সারাদেশ
    • ঈমান
    • ইবাদাত
    • আকীদা
    • আখিরাত
    • ইতিহাস
    • ফিকহ
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • শিক্ষা
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • আন্তর্জাতিক
  • Contact
  • Blog
  • Complaint
  • Advertise
© ২০২৫ Al-Mujaddid 24 | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Reading: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, যুদ্ধ থামাতে কি খুলবে কূটনীতির দরজা?
Share
Sign In
Notification Show More
Font ResizerAa
AlMujaddid 24AlMujaddid 24
Font ResizerAa
Search
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • ধর্ম
    • সারাদেশ
    • ঈমান
    • ইবাদাত
    • আকীদা
    • আখিরাত
    • ইতিহাস
    • ফিকহ
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • শিক্ষা
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • আন্তর্জাতিক
Have an existing account? Sign In
Follow US
  • Contact
  • Blog
  • Complaint
  • Advertise
© ২০২৫ Al-Mujaddid 24 | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
AlMujaddid 24 > Blog > আন্তর্জাতিক > জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, যুদ্ধ থামাতে কি খুলবে কূটনীতির দরজা?
আন্তর্জাতিক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, যুদ্ধ থামাতে কি খুলবে কূটনীতির দরজা?

Rezaul Karim
Last updated: September 22, 2026 5:47 am
Rezaul Karim
Share
Oplus_131072
SHARE

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং কূটনীতিকেরা সমবেত হচ্ছেন, তখন প্রায় সাত মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ নতুন এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সামরিক সংঘাত, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের সংকট, উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা-পাল্টা হামলা এবং দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা শান্তি আলোচনা, সবকিছুর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের একই সময়ে নিউইয়র্কে উপস্থিতি আন্তর্জাতিক কূটনীতির জন্য নতুন একটি সম্ভাবনার দরজা তৈরি করেছে। তবে একই সঙ্গে দুই দেশের নেতাদের সাম্প্রতিক কঠোর বক্তব্য এবং সামরিক প্রস্তুতি পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশন এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ইরান যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তায় পড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কূটনৈতিক যোগাযোগের সম্ভাবনাও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ এবং ভবিষ্যৎ সমঝোতা নিয়ে আগে আলোচনা হলেও তা এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি। জুনে দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতার কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তী সময়ে মতপার্থক্য ও সামরিক উত্তেজনার কারণে সেই প্রক্রিয়া কার্যত স্থবির হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দুই দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে। আন্তর্জাতিক সংকটবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিউইয়র্কে সরাসরি বৈঠক না হলেও মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে যোগাযোগ পুনরায় শুরু করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, জাতিসংঘের আয়োজক দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক চুক্তির আওতায় ইরানের মূল প্রতিনিধিদলকে নিউইয়র্কে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে ইরানি প্রতিনিধিদলের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং আগের তুলনায় এবারের প্রতিনিধিদল ছোট রাখা হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মঙ্গলবার নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা এবং জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে ট্রাম্পও সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। দুই নেতার একই শহরে উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই সম্ভাব্য কোনো বৈঠক বা পরোক্ষ যোগাযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক আগ্রহ বাড়িয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠক নিশ্চিত হয়নি। ট্রাম্প বলেছেন, জাতিসংঘের অধিবেশনের সময় তিনি ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করার বিষয়ে সম্ভবত আগ্রহী। একই সময়ে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানও বজায় রেখেছেন। ২০ সেপ্টেম্বর ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের বিষয়ে সামরিক ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক চাপ অথবা সমঝোতার মতো বিভিন্ন পথের কথা বলেন এবং তেহরানকে সতর্ক করেন। তাঁর বক্তব্যের পর ইরানের পক্ষ থেকেও পাল্টা কঠোর প্রতিক্রিয়া আসে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলা চালায়, তাহলে তেহরান যুদ্ধের অস্ত্র ও ভৌগোলিক পরিসর পরিবর্তন করে জবাব দিতে পারে। ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে একই ধরনের সতর্কবার্তা প্রকাশিত হয়েছে। এর ফলে একদিকে কূটনৈতিক যোগাযোগের সম্ভাবনা তৈরি হলেও অন্যদিকে সামরিক উত্তেজনা কমার কোনো নিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে না।

এই উত্তেজনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে আছে হরমুজ প্রণালি। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত এই জলপথ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে এই পথে জাহাজ চলাচল কমেছে এবং তেল পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বরের বাজার পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনৈতিক অগ্রগতির প্রত্যাশার মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের নভেম্বর ফিউচার ব্যারেলপ্রতি ১০১.৪৮ ডলারে উঠেছিল, আর ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের অক্টোবর ফিউচার ৯৬.৬৫ ডলারে পৌঁছায়। বাজার বিশ্লেষকেরা অবশ্য এই ওঠানামাকে বড় কোনো মৌলিক পরিবর্তনের প্রমাণ হিসেবে দেখছেন না এবং আলোচনার বাস্তব অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত তেলের বাজারে অস্থিরতা থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

হরমুজের পাশাপাশি বাব আল-মান্দাব প্রণালিও সংঘাতের প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বাহিনীর কর্মকাণ্ড সৌদি আরব ও উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এসব ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও পরিস্থিতিটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ উপসাগরীয় অঞ্চলে তার সামরিক উপস্থিতি রয়েছে এবং সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের মতো দেশগুলো সরাসরি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত।

এই বাস্তবতায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের বাইরে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসির সদস্য দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় ইরান যুদ্ধের পরবর্তী পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং যুদ্ধ-পরবর্তী কৌশল নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এসব দেশ যুদ্ধের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত প্রভাবের মুখোমুখি হওয়ায় তাদের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী নীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংকটবিষয়ক বিশেষজ্ঞ আলী ভায়েজের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ পুনরুদ্ধারে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে। কাতার, সৌদি আরব ও ওমানের পাশাপাশি তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিসরের মতো দেশও কোনো সম্ভাব্য কূটনৈতিক উদ্যোগে ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মনে করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বর্তমান অবস্থানের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। ফলে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে হলে দুই পক্ষকেই কিছু সুবিধা বা ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা তৈরি করতে হতে পারে।

কাতারের ভূমিকা বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। অতীতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংকটে দোহা যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক পক্ষগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে। এবারও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি আলোচনা সম্ভব না হলে কাতার বা অন্য কোনো উপসাগরীয় দেশ পরোক্ষ যোগাযোগের পথ তৈরি করতে পারে। তবে কোনো মধ্যস্থতা সফল হবে কি না, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষ আলোচনার জন্য কতটা বাস্তবসম্মত অবস্থান নেয় তার ওপর। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের লক্ষ্য, নিষেধাজ্ঞা, নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ইরানের ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, ইরানের অর্থনৈতিক চাপ কমানো এবং কিছু স্থগিত সম্পদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো বিষয় থাকতে পারে বলে বিশ্লেষকেরা উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে ইরান দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, অর্থনৈতিক চাপ কমানো এবং সামরিক হুমকি বন্ধের মতো বিষয়কে আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে তুলে ধরেছে। হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ নিয়েও দুই পক্ষের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের জন্য এই জলপথ একটি বড় কৌশলগত হাতিয়ার, আর আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকার সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। কোনো নতুন নিরাপত্তা পরিষদ প্রস্তাব গৃহীত হলে সেটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ভবিষ্যৎ সমঝোতা বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক কাঠামো দিতে পারে। তবে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে প্রয়োজনীয় সমঝোতা ছাড়া এমন কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করা কঠিন হতে পারে। TIME-এর সঙ্গে কথা বলা বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো নিরাপত্তা পরিষদ প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতার শর্ত পর্যবেক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা তৈরির বিষয়ও থাকতে পারে।

তবে কূটনৈতিক সম্ভাবনার পাশাপাশি সামরিক উত্তেজনাও সমানভাবে বিদ্যমান। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছে এবং ইরানের পক্ষ থেকেও নতুন হামলার ক্ষেত্রে আরও বিস্তৃত প্রতিক্রিয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ফলে নিউইয়র্কে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হলেও তা দ্রুত কোনো স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাবে এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং আলোচনার প্রথম ধাপ হতে পারে সরাসরি যোগাযোগ পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা, যুদ্ধের পরিধি নিয়ন্ত্রণ করা এবং ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হওয়া। ট্রাম্প পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনার কথা বলেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত এমন বৈঠকের কোনো আনুষ্ঠানিক সময়সূচি প্রকাশ হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকেও সরাসরি বৈঠক নিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। ফলে সম্ভাব্য বৈঠকটি এখনো কূটনৈতিক সম্ভাবনা হিসেবেই রয়েছে।

এদিকে যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাবও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের বিষয় হয়ে উঠেছে। হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহনে পরিবর্তন, উপসাগরীয় অঞ্চলের অবকাঠামোর নিরাপত্তা এবং সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর তেলের দাম কিছুটা বাড়লেও বাজারে কোনো স্থায়ী প্রবণতা তৈরি হয়েছে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় বাস্তব অগ্রগতি হলে বাজারে তার প্রভাব পড়তে পারে, আবার নতুন সামরিক সংঘাত হলে পরিস্থিতি বিপরীত দিকে যেতে পারে।

সব মিলিয়ে নিউইয়র্কে এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক যোগাযোগের ক্ষেত্র তৈরি করেছে। একই সময়ে সামরিক হুমকি, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা, উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগ এবং যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব পরিস্থিতিকে জটিল করে রেখেছে। ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হয় কি না, উপসাগরীয় দেশগুলো কোনো মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেয় কি না এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ভবিষ্যৎ আলোচনার জন্য কোনো নতুন কাঠামোতে পৌঁছাতে পারে কি না, তা আগামী দিনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকবে। জাতিসংঘের এই অধিবেশন থেকে তাৎক্ষণিক সমঝোতা না হলেও নিউইয়র্কে তৈরি হওয়া যোগাযোগের সুযোগ পরবর্তী কূটনৈতিক উদ্যোগের ভিত্তি হতে পারে। একই সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় আন্তর্জাতিক মহল এখন দুই পক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে।

You Might Also Like

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা নিয়ে এবার মুখ খুললো উত্তর কোরিয়া

সংবাদ সম্মেলনে নারী সাংবাদিককে নিয়ে বিতর্কে জড়ালেন পাক আই এস পি আর প্রধান

ইরান কীভাবে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানকে শনাক্ত করে আঘাত করেছে, ব্যাখ্যা দিলেন চীনা বিশেষজ্ঞরা

ইরানে হামলার প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭০ কোটি ডলার

ইরান–চীন–রাশিয়ার নতুন কৌশলগত চুক্তি: বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়

Sign Up For Daily Newsletter

Be keep up! Get the latest breaking news delivered straight to your inbox.
[mc4wp_form]
By signing up, you agree to our Terms of Use and acknowledge the data practices in our Privacy Policy. You may unsubscribe at any time.
Share This Article
Facebook Copy Link Print
Share
Previous Article US-Iran face off at UN General Assembly, will it open new doors for diplomacy to stop war?
Next Article التهجئة الصحيحة: عمدة نيويورك زهراب ممداني يلتقي ترامب

Stay Connected

248.1kLike
69.1kFollow
134kPin
54.3kFollow
banner banner
Create an Amazing Newspaper
Discover thousands of options, easy to customize layouts, one-click to import demo and much more.
Learn More

নতুন ব্লগ পড়ুন

রওজা মোবারক জিয়ারত: নবী মোস্তফা সা. প্রতি মহব্বত ও ইসলামী ঐতিহ্যের এক অনন্য অধ্যায়
ঈমান
التهجئة الصحيحة: عمدة نيويورك زهراب ممداني يلتقي ترامب
বিশ্ব
US-Iran face off at UN General Assembly, will it open new doors for diplomacy to stop war?
বিশ্ব
New York Mayor Zohrab Mamdani meets with Trump amid world leaders’ wait
বিশ্ব

You Might also Like

আন্তর্জাতিক

মার্কিন হামলায় শ্রীলঙ্কা উপকূলে ডুবেছে ইরানি যুদ্ধজাহাজটি, নিহত ৮০

Rezaul Karim
Rezaul Karim
1 Min Read
আন্তর্জাতিক

বৈশ্বিক নেতৃত্ব আধিপত্য নয়, আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণে জোর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিরাপত্তা নথি

Rezaul Karim
Rezaul Karim
2 Min Read
আন্তর্জাতিক

দুই খাতে ৭০ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা ঘোষণা এডিবি’র

Rezaul Karim
Rezaul Karim
3 Min Read
AlMujaddid 24AlMujaddid 24
Follow US
© ২০২৫ Al-Mujaddid 24 | সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?

Not a member? Sign Up