সুপার এল নিনোর তীব্র তাপে ফেব্রুয়ারির মধ্যে সাড়ে চার লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে শক্তিশালী এল নিনো। জলবায়ুর স্বাভাবিক এই আবর্তন চলতি সময়ে অস্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী রূপ নিয়েছে। এর সঙ্গে মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে বাড়তে থাকা বৈশ্বিক উষ্ণতা যুক্ত হওয়ায় আগামী কয়েক মাসে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চরম তাপমাত্রার প্রকোপ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। নতুন এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এল নিনোর কারণে অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৫১ হাজারে পৌঁছাতে পারে।
তবে গবেষকেরা স্পষ্ট করে বলেছেন, এটি নিশ্চিত মৃত্যুর হিসাব নয়। এটি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য, তাপমাত্রার পূর্বাভাস এবং অতীতের তাপমাত্রা ও মৃত্যুর সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে তৈরি করা একটি সম্ভাব্য হিসাব। গবেষণাটি এখনো বিশেষজ্ঞদের আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেনি। ফলে ৪ লাখ ৫১ হাজার মৃত্যুর সংখ্যাটিকে চূড়ান্ত পূর্বাভাস হিসেবে না দেখে সম্ভাব্য ঝুঁকির একটি বড় সতর্কসংকেত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জলবায়ু প্রভাব গবেষণাগারের বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের একটি দল এই বিশ্লেষণ তৈরি করেছে। গবেষণায় বিশ্বের ২৪ হাজারের বেশি অঞ্চলে তাপমাত্রার সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক নিয়ে পরিচালিত পূর্ববর্তী বৈজ্ঞানিক গবেষণার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলের ঋতুভিত্তিক তাপমাত্রার পূর্বাভাস বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। পরে সম্ভাব্য মৃত্যুর হিসাব ১৯৯৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত একই সময়ের গড় পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
গবেষকদের মতে, এল নিনোর প্রভাবে আগামী কয়েক মাসে বিশ্বের স্থলভাগের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি হতে পারে। এর ফলে একটি স্বাভাবিক বছরের তুলনায় চরম তাপমাত্রার দিন প্রায় ৪৪ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে যেসব দেশে প্রচণ্ড গরমের সঙ্গে স্বাস্থ্যব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেখানে মানুষের মৃত্যুঝুঁকি বেশি হতে পারে।
এল নিনো হচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা। এর প্রভাব শুধু প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকে না। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা, খরা, ঝড় এবং অন্যান্য আবহাওয়াগত পরিস্থিতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
চলতি এল নিনো ইতোমধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে গবেষকেরা মনে করছেন। এর প্রভাব আগামী কয়েক মাস অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল পর্যন্ত এল নিনো চলতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। সে কারণে তাপমাত্রার প্রভাবও ফেব্রুয়ারির পর আরও কিছু সময় অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে উত্তর গোলার্ধের গ্রীষ্মকাল সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে কিছু অঞ্চলে তাপজনিত ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, এল নিনোর কারণে সৃষ্ট অতিরিক্ত তাপ থেকে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোতে। আফ্রিকা ও এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নাইজেরিয়ায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর আশঙ্কা করা হয়েছে। সেখানে সম্ভাব্য অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৩১ হাজার ৪০০ হতে পারে বলে গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া, সুদান, ভারত ও ব্রাজিলকেও উচ্চ ঝুঁকির দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও সম্ভাব্যভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ৫০০ হতে পারে বলে গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব শুধু মানুষের মৃত্যুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। প্রচণ্ড গরমের সঙ্গে খরা, দাবানল, বন্যা এবং কৃষিক্ষেত্রে ক্ষতির ঝুঁকিও বাড়তে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ইতোমধ্যে দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়া দেখা যাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভায় দীর্ঘদিনের খরার কারণে কৃষিজমিতে পানির সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক এলাকায় ধানসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অতিরিক্ত তাপ মানুষের শরীরে নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করে। দীর্ঘ সময় ধরে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। পানিশূন্যতা, হিটস্ট্রোক এবং হৃদ্যন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। বয়স্ক মানুষ, শিশু, গর্ভবতী নারী, বাইরে কাজ করা শ্রমিক এবং আগে থেকেই অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত তাপ বিশেষ ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, তাপজনিত মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ করা অনেক সময় কঠিন। অনেক দেশেই প্রচণ্ড গরমে মৃত্যুর ঘটনা সরাসরি তাপজনিত মৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত হয় না। কোনো ব্যক্তি হৃদ্রোগ বা অন্য কোনো অসুস্থতার কারণে মারা গেলে সেই মৃত্যুর পেছনে তাপমাত্রার ভূমিকা আলাদাভাবে চিহ্নিত করা সবসময় সম্ভব হয় না। ফলে বাস্তবে অতিরিক্ত তাপের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের তুলনায় বেশি হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক রাকেল নুনেস, যিনি এই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত নন, বলেছেন যে ৪ লাখ ৫১ হাজার মৃত্যুর হিসাব একটি বৈজ্ঞানিক মডেল হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। তবে এটিকে নিশ্চিত পূর্বাভাস হিসেবে দেখা উচিত নয়। তার মতে, এই হিসাবের মূল গুরুত্ব হলো এল নিনোর কারণে চরম তাপমাত্রার সম্ভাব্য ভয়াবহ প্রভাব সম্পর্কে আগাম সতর্ক করা এবং প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, এল নিনোর তীব্রতা দ্রুত বাড়তে থাকায় তারা আনুষ্ঠানিক বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা শেষ হওয়ার আগেই তাদের সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তাদের যুক্তি হলো, এই পরিস্থিতিতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ এখনো রয়েছে। পর্যালোচনা শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করলে চলতি এল নিনো পরিস্থিতির মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির সময় কমে যেতে পারে।
চরম তাপ মোকাবিলায় সরকারগুলোকে আগাম সতর্কবার্তা জোরদার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, তীব্র গরমের সময় মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় ও শীতল থাকার ব্যবস্থা করা এবং পর্যাপ্ত পানি ও পানীয় সরবরাহ নিশ্চিত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবাকে সম্ভাব্য অতিরিক্ত রোগীর চাপ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
গবেষকদের মতে, তাপপ্রবাহের সময় কোন এলাকাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি রয়েছে তা আগে থেকে চিহ্নিত করা গেলে সীমিত সম্পদ আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছানো, পানির ব্যবস্থা করা এবং চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে অনেক প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হতে পারে।
এই পরিস্থিতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জলবায়ু পরিবর্তন। এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা হলেও বর্তমানে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা শিল্পযুগের আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে উষ্ণতা সৃষ্টিকারী গ্যাসের পরিমাণ বেড়েছে। ফলে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট উষ্ণতার সঙ্গে মানবসৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণতা যুক্ত হয়ে অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রার চরম পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।
গবেষকেরা বর্তমান পরিস্থিতিকে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য জলবায়ু পরিস্থিতির একটি আগাম চিত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী কয়েক দশকে আজকের অস্বাভাবিক তাপমাত্রার মতো পরিস্থিতি আরও পরিচিত হয়ে উঠতে পারে। এর অর্থ হলো শুধু জরুরি পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা নেওয়া যথেষ্ট হবে না; দীর্ঘমেয়াদে শহর, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, কৃষি, পানি সরবরাহ এবং কর্মপরিবেশকে উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হবে।
বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য এই চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন হতে পারে। যেসব দেশে স্বাস্থ্যসেবা সীমিত, বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত অথবা সাধারণ মানুষের শীতল থাকার সুযোগ কম, সেখানে তাপপ্রবাহের প্রভাব বেশি হতে পারে। একই সঙ্গে কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী তাপ ও খরা খাদ্য উৎপাদন এবং মানুষের জীবিকায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পানির সংকটও বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হলে কৃষিজমিতে সেচের পানির প্রয়োজন বাড়ে। অন্যদিকে অতিরিক্ত তাপের কারণে মানুষ ও প্রাণীর পানির চাহিদাও বেড়ে যায়। ফলে একই সময়ে কৃষি, গৃহস্থালি ব্যবহার এবং মানুষের পানীয় জলের চাহিদার মধ্যে চাপ তৈরি হতে পারে।
চরম তাপমাত্রা মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের সচেতনতাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রচণ্ড গরমের সময় পর্যাপ্ত পানি পান করা, দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে অপ্রয়োজনীয় বাইরে থাকা এড়িয়ে চলা এবং বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ওপর নজর রাখা ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে ব্যক্তিগত সতর্কতার পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে আগাম সতর্কতা, চিকিৎসা প্রস্তুতি এবং নিরাপদ পানি ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
গবেষণাটি যে ৪ লাখ ৫১ হাজার অতিরিক্ত মৃত্যুর সম্ভাবনার কথা বলেছে, সেটি কোনো নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়। বরং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি একটি সম্ভাব্য হিসাব। এল নিনোর প্রকৃত গতিপথ, আঞ্চলিক আবহাওয়া, মানুষের অভিযোজন ক্ষমতা এবং সরকারগুলোর নেওয়া পদক্ষেপের ওপর বাস্তব পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করবে।
তবে এই হিসাব বিশ্বজুড়ে চরম তাপমাত্রার ঝুঁকি কতটা বড় হতে পারে, সে বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছে। আগামী কয়েক মাসে এল নিনোর প্রভাব অব্যাহত থাকলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা, খরা ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা নিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে।
গবেষকদের বক্তব্য অনুযায়ী, এখনই প্রস্তুতি নিলে সম্ভাব্য প্রাণহানি কমানো সম্ভব। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি তাপপ্রবাহকে জরুরি অবস্থা হিসেবে মোকাবিলা করতে হবে না। কারণ পৃথিবীর তাপমাত্রা যদি আরও বাড়তে থাকে, আজকের অস্বাভাবিক গরম ভবিষ্যতে অনেক অঞ্চলের স্বাভাবিক বাস্তবতায় পরিণত হতে পারে।
বর্তমান এল নিনো তাই শুধু একটি সাময়িক আবহাওয়াগত ঘটনা নয়; এটি একই সঙ্গে চরম তাপমাত্রা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, পানি ও জলবায়ু পরিবর্তনের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে সতর্ক হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। আগামী কয়েক মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রস্তুতি ও দ্রুত পদক্ষেপ সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: সিএনএন
