যুক্তরাষ্ট্রে অনথিভুক্ত চীনা নাগরিকদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন স্বতন্ত্র সংস্থার তথ্য ভিন্নতা দেখা যায়; মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৩৯ হাজার চীনা অভিবাসীর যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ থাকার অনুমতি ছিল না, অন্যদিকে ভারতসহ আরও কিছু দেশ যাদের নাগরিকদের অবৈধ উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রে বেশি তারা মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে প্রত্যাবাসন ইস্যুতে পূর্ণ সহযোগিতা করছে বলে এক কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র চায় বেইজিং যেন ডিপোর্টিদের জন্য দ্রুত ট্রাভেল ডকুমেন্ট সরবরাহ করে এবং কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন পরিচালিত চার্টার ফ্লাইটগুলোকে চীনে অবতরণের অনুমতি দেয়, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্টের সেকশন ২৪৩(ডি) অনুযায়ী যেসব দেশ প্রত্যাবাসন অনুরোধ মানতে অস্বীকৃতি জানায় বা অসহযোগিতা করে তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এবং ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি নিয়মিতভাবে চীনকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে থাকে, ওবামা প্রশাসনের সময় থেকেই মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা চীন ইচ্ছাকৃতভাবে ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যুতে বিলম্ব করে কারণ তারা নিজেদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে অনাগ্রহী বা বিষয়টিকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, পাশাপাশি মার্কিন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন অনেক সময় চীন ডিপোর্টেশন ইস্যুকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া তাদের অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক অপরাধীদের হস্তান্তরের দাবির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করে।
