মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে মার্কিন সামরিক বিমানের চলাচল উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা; প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলে পাঠানো বেশিরভাগ বিমানই পরিবহন ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী, যার মধ্যে বড় আকারের সামরিক পণ্যবাহী বিমান রয়েছে, যেগুলোর প্রতিটিই প্রায় ৭৭ টন সরঞ্জাম এবং প্রায় ১০০ জন কর্মী বহনে সক্ষম। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১২টি পরিবহন বিমান মধ্যপ্রাচ্যের পথে ছিল, যেগুলোর কয়েকটি জার্মানি থেকে উড্ডয়ন করে; একই সঙ্গে আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানও ওই বহরে অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং ইসরাইল ও আশপাশের এলাকায় অন্তত চারটি জ্বালানি ট্যাঙ্কার বিমান সক্রিয়ভাবে চলাচল করতে দেখা গেছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি কোনো ‘অসদাচরণ’ করে বা ‘খারাপ পদক্ষেপ’ নেয়, তাহলে আবারও সামরিক হামলা চালানো হতে পারে; ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বর্তমানে ‘খুব ভালো’ এবং তেহরান একটি চুক্তি করতে আগ্রহী, পাশাপাশি সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হয়েছে এবং তিনি এখন চূড়ান্ত লিখিত রূপের অপেক্ষায় রয়েছেন; একইসঙ্গে ইরানের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। অন্যদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মোহসেন রেজায়ী যুক্তরাষ্ট্রকে ‘জলদস্যু’ আখ্যা দেন এবং হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন বাহিনীকে কবরস্থানে পরিণত করার হুমকি দেন; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র দেশ যার ‘জলদস্যুসুলভ’ আচরণের সঙ্গে বিমানবাহী রণতরী রয়েছে এবং তাদের মোকাবিলায় ইরানের সক্ষমতা কোনো অংশে কম নয়। তিনি আরও দাবি করেন, অতীতে একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনা উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করা হয়েছে যে, প্রয়োজনে তাদের রণতরী ও বাহিনীও একই পরিণতির মুখে পড়তে পারে।
