মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক কয়েকজন বিশেষজ্ঞ বৃহস্পতিবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর হামলার জবাবে ইরান-এর পাল্টা আঘাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত এক ডজন সামরিক স্থাপনা এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলোর উপস্থিতি এখন সুবিধার চেয়ে বরং বেশি ঝুঁকি তৈরি করছে, গত মাসে এই ঘাঁটিগুলোর অবস্থা সম্পর্কে প্রথম তথ্য প্রকাশ করে নিউইয়র্ক টাইমস যেখানে বলা হয় এসব স্থাপনা প্রায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে, তবে ডেলান্ড ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি, কুইন্সি ইউনিষ্টিটের-এর নির্বাহী সহ-সভাপতি চিত্রা পারসি এক প্যানেলে বলেন গত সাত সপ্তাহের যুদ্ধে এটি পরিষ্কার হয়েছে যে উপসাগরীয় দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য এখন আর পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করতে পারছে না ফলে তারা হয়তো নিরাপত্তা সহযোগিতার জন্য ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকতে পারে, এই আস্থার সংকট আরও বেড়েছে কারণ সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর ওপর ইরানের হামলা বন্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি এতে উপসাগরীয় অনেক দেশের মধ্যে এক ধরনের বিশ্বাসঘাতকতার অনুভূতি তৈরি হয়েছে, পারসি বলেন ওই ঘাঁটিগুলো ইরানি হামলা প্রতিরোধ করতে পারেনি বরং হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে ফলে আমেরিকার নিরাপত্তা ছত্রছায়ার ওপর নির্ভরশীলতা এখন কার্যত চুরমার হয়ে গেছে, তার মতে এর একটি সম্ভাব্য ফল হতে পারে এমন যে উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের সাথে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পেরে ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকবে এবং তিনি আরও বলেন এমনকি ২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডস -এর মতো কোনো মার্কিন ছাড় ছাড়াই তারা ইসরায়েলের সাথে নতুন সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করতে পারে।
