যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করার প্রেক্ষাপটে দেশটির সামরিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কিউবার সরকার ও সামরিক বাহিনীর প্রকাশিত শত শত ভিডিও এবং ছবির বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সীমিত সামরিক বিনিয়োগের কারণে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকাশিত দৃশ্যগুলোতে অনেক ক্ষেত্রে পুরোনো সামরিক সরঞ্জাম, সীমিত আধুনিকীকরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে, যা কিউবার বর্তমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে। বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি এবং অর্থনৈতিক দুরবস্থা দেশটির সামরিক অবকাঠামো উন্নয়নকে প্রভাবিত করেছে। যদিও কিউবার সরকার জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সক্ষমতার ওপর আস্থা প্রকাশ করে আসছে, তবুও সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্য ও দৃশ্যপট দেশটির সামরিক শক্তির বাস্তব অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিবেশে কিউবার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু সামরিক সক্ষমতা নয়, বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরক্ষা অবকাঠামোর আধুনিকায়ন নিশ্চিত করা। এদিকে ওয়াশিংটন ও হাভানার মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন অব্যাহত থাকায় ক্যারিবীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং কিউবার ভবিষ্যৎ সামরিক অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর আরও বাড়ছে।
