ইসরায়েলের একটি প্রভাবশালী দৈনিকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দেশটির দুটি শীর্ষ প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রকল্প ও উপঠিকাদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে সৌদি আরব ও কাতারের কাছে কয়েকশো মিলিয়ন ডলার মূল্যের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং যুদ্ধবিমানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সরবরাহ করেছে। প্রকাশিত নথি ও আলোকচিত্রে কাতারের রাষ্ট্রীয় ব্যবহারের কয়েকটি বিমানে ইসরায়েলি প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংযোজিত থাকার দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে কাতার ও সৌদি আরবের যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে ইসরায়েলি প্রযুক্তিতে নির্মিত বিভিন্ন উপাদান ব্যবহারের অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সরঞ্জাম সরাসরি রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে নয়; বরং আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উপঠিকাদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে পৌঁছেছে। এ কারণে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক সীমিত বা অনুপস্থিত থাকলেও নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে পরোক্ষ সহযোগিতার প্রশ্ন নতুন করে সামনে এসেছে। তবে এ বিষয়ে সৌদি আরব, কাতার কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রকাশিত নথি ও দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই হয়ে সত্য প্রমাণিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক কূটনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে নতুন আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।
